Differences
This shows you the differences between two versions of the page.
Next revision | Previous revision | ||
bn:un:tide [2025/03/28 02:16] – created asad | bn:un:tide [2025/03/31 03:53] (current) – asad | ||
---|---|---|---|
Line 11: | Line 11: | ||
{{https:// | {{https:// | ||
- | টাইডাল ফোর্স সমুদ্রের পানিকে প্রভাবিত করে, সুতরাং যেখানে এই বলের মান বেশি সেখানে পানি সার্ফেস থেকে বেশি উপরে উঠে যায়, যেখানে কম সেখানে স্বাভাবিক থাকে। প্রথম ছবির $A,B,C,D$ এই চার বিন্দুতে টাইডাল ফোর্সের মান ও দিক খেয়াল করলেই বুঝা যাবে, | + | টাইডাল ফোর্স সমুদ্রের পানিকে প্রভাবিত করে, সুতরাং যেখানে এই বলের মান বেশি সেখানে পানি সার্ফেস থেকে বেশি উপরে উঠে যায়, যেখানে কম সেখানে স্বাভাবিক থাকে, যা উপরের ছবিতে দেখানো হয়েছে((ক্রেডিট: |
{{https:// | {{https:// | ||
Line 19: | Line 19: | ||
{{https:// | {{https:// | ||
- | তবে প্রতি দিন একই সময় জোয়ার ও ভাটা হয় না, কারণ চাঁদ আবার পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে, | + | তবে প্রতি দিন একই সময় জোয়ার ও ভাটা হয় না, কারণ চাঁদ আবার পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে, |
+ | |||
+ | {{https:// | ||
+ | |||
+ | মাসে দুই বার জোয়ার অনেক উঁচু হয়, যার নাম স্প্রিং টাইড (ভরা কটাল), | ||
+ | |||
+ | ===== - টাইডের মানচিত্র ===== | ||
+ | {{: | ||
+ | |||
+ | ভূমির কারণে সমুদ্রের পানি সব জায়গায় প্রবাহিত হতে পারে না, সুতরাং জোয়ারের পানি উপকূলে বেশি জমা হয়, ওপেন সমুদ্রে জমে না। উপকূলের বিভিন্ন জায়গায় টাইড গেজ দিয়ে বিভিন্ন সময় সমুদ্রতলের উচ্চতা মাপা হয়। উপরের ছবিতে এক স্প্রিং টাইড থেকে আরেক স্প্রিং টাইড পর্যন্ত আনুমানিক পনের দিনের ডেটা দেখানো হয়েছে। মিন সি লেভেল থেকে কয়েকটা উচ্চতার বিশেষ নাম আছে। চাঁদের প্রভাবে পানি সর্বোচ্চ যত উপরে উঠতে পারে তার নাম হায়েস্ট এস্ট্রোনমিকেল টাইড, | ||
+ | |||
+ | {{: | ||
+ | |||
+ | সারা পৃথিবীর সব সমুদ্রের ল্যাটের মানচিত্র উপরে দেখানো হয়েছে মিটার ইউনিটে; | ||
+ | |||
+ | ===== - বাংলাদেশের টাইডাল কোস্ট ===== | ||
+ | বাংলাদেশের উপকূল তিন অঞ্চলে বিভক্ত: | ||
+ | |||
+ | {{: | ||
+ | |||
+ | ভারত মহাসাগর থেকে আসা টাইড বঙ্গোপসাগরে প্রবেশের পর পশ্চিমে হিরন পয়েন্ট আর পূর্বে কক্সবাজারে প্রায় একই সময়ে পৌঁছায়। বঙ্গোপসাগরের দুইটা সাবমেরিন ক্যানিয়নের প্রান্তে এই দুই জায়গা অবস্থিত, | ||
+ | |||
+ | {{https:// | ||
+ | |||
+ | টাইড নদীতে প্রবেশ করে টাইডাল চ্যানেল তৈরি করে। চ্যানেলের কারণে নদীর পানির স্যালিনিটি বাড়ে। উপরের গ্রাফে সাতক্ষীরার এক স্টেশন থেকে পাওয়া স্যালিনিটি (নিচে) ও পানির তাপমাত্রার (উপরে) ডেটা দেখানো হয়েছে। এই প্লটে বাংলাদেশে টাইডের সাথে আরেকটা বিষয়ের সম্পর্ক বুঝা যায়: বর্ষাকাল, | ||
+ | |||
+ | টাইডের কারণে নদীর দিকের পরিবর্তন পদ্মা নদীতে প্রায় লৌহজং পর্যন্ত দেখা যায়। আর ব্যাকওয়াটার ইফেক্ট (মোহনার দিকে টাইডের কারণে আপস্ট্রিম দিকে পানির উচ্চতা বাড়া) আরো উত্তরেও পাওয়া যেতে পারে। | ||
bn/un/tide.1743149774.txt.gz · Last modified: 2025/03/28 02:16 by asad