This is an old revision of the document!
রক
রক তিন ধরনের: ইগ্নিয়াস (গ্রাইয়ান্টি, ব্যাসল্ট), সেডিমেন্টারি, মেটামর্ফিক
| টাইপ নাম | উদাহরণ | সংকেত | |
|---|---|---|---|
| নেটিভ মৌল | কপার, গোল্ড | Cu, Au | |
| সালফাইড | পাইরাইট | FeS$_2$ | |
| অক্সাইড ও হাইড্রক্সাইড | হেমাটাইট | Fe$_2$O$_3$ | |
| হ্যালাইড | লবণ | NaCl | |
| কার্বনেট | ক্যালসাইট | CaCO$_3$ | |
| সালফেট | বেরাইট | BaSO$_4$ | |
| ফসফেট | এপাটাইট | Ca$_5$F(PO$_4$)$_3$ | |
| সিলিকেট | পাইরক্সিন | MgSiO$_3$ | ভারী, ব্যাসল্ট, ভল্কানিক, ফাইন ক্রিস্টাল, ওশানিক ক্রাস্ট |
| অলিভাইন | (Fe,Mg)$_2$SiO$_4$ | ভারী, ব্যাসল্ট | |
| কোয়ার্টজ | SiO$_2$ | হালকা, গ্রানাইট, প্লুটোনিক, বড় ক্রিস্টাল, কন্টিনেন্টাল ক্রাস্ট | |
| ফেল্ডস্পার | (K,Na)Si$_3$O$_8$, CaAl$_2$Si$_2$O$_8$ | হালকা, গ্রানাইট |
পৃথিবীর সার্ফেসের ৬০% রক ফেল্ডস্পার দিয়ে তৈরি।
পৃথিবীর ওশানিক ক্রাস্টের মতোই চাঁদের অন্ধকার মারিয়া সব ব্যাসল্টের।
গ্রানাইটের চেয়ে ব্যাসল্ট বেশি, কারণ ম্যাগমার সাথে ব্যাসল্টের ভিস্কোসিটি কম, ব্যাসল্টিক ম্যাগমা বেশি দূর ফ্লো করতে পারে।
সেডিমেন্টারি রক তৈরি হয় ইগ্নিয়াস রক থেকে পরিবেশের বিভিন্ন ইফেক্টে কয়েক ধাপে:
- মেকানিকেল ওয়েদারিং: পানি ঢুকে রক ভেঙে ফেলতে পারে। কোয়ার্টজ ভেঙে তৈরি হয় বালি, আর ফেল্ডস্পার ভেঙে মাটি।
- সর্টিং: ওয়েদারিঙের কারণে এক দলা গ্রানাইট মাটি ও বালির মিশ্রণে পরিণত হতে পারে, কিন্তু বাতাস বা পানি মাটি ও বালির দানা সমান দূরে নিতে পারবে না, কারণ তাদের সাইজ আলাদা। এই কারণে মাটি ও বালির দানা আলাদা হয়ে যাবে।
- রকে রূপান্তর: উপরের লেয়ারের চাপের কারণে মাটি ঘন হয়ে শেইল হয়, আর বালি ঘন হয়ে স্যান্ডস্টোন।
লাইমস্টোন কেমিকেল বা বায়োলজিকেল প্রসেসে হতে পারে। কেমিকেল প্রসেস:
$$ CaSiO_3 + 2CO_2 + H_2O \rightarrow Ca^{2+} + SiO_2 + 2HCO_3^- $$
$$ Ca^{2+} + 2HCO_3^- \rightarrow CaCO_3 + CO_2 +H_2O $$
এখানের ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে মিশে সেডিমেন্ট লাইমস্টোন ও চক বানায়।
তবে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি লাইমস্টোন এসেছে ছোট ছোট অনেক মেরিন জীবের শেল থেকে। ক্যালসিয়াম কার্বনেটের এসব শেল জীবের মৃত্যুর পরে সমুদ্রের তলায় জমেছে এবং অনেক দিন ধরে চলা কম্প্রেশনের কারণে ধীরে ধীরে লাইমস্টোন হয়েছে। লাইমস্টোন ও চক অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ এরা কার্বন ডাই অক্সাইডের সবচেয়ে বড় ভাণ্ডার। পৃথিবীর সব তেল ও কয়লার রিজার্ভের চেয়ে ২০,০০০ গুণ বেশি সিওটু আছে লাইমস্টোন ও চকে। ভিনাসের চেয়ে আর্থে সিওটু অনেক কম এই রিজার্ভের কারণেই। এক প্লেট আরেক প্লেটের নিচে গেলে প্রেশারে কার্বনেট ভেঙে যায় এবং সিওটু আবার বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়; এটাই গ্লোবাল কার্বন সাইকেল।
মেটামর্ফিক রকের মধ্যে মার্বেলের নাম বলা যায়। মাটির নিচের লাইমস্টোন চাপ ও তাপে মার্বেলে রূপান্তরিত হয়। শেইল রূপান্তরিত হয় স্লেইটে।
