Abekta

The Encyclopédie of CASSA

User Tools

Site Tools


bn:un:rock

Differences

This shows you the differences between two versions of the page.

Link to this comparison view

Both sides previous revisionPrevious revision
Next revision
Previous revision
bn:un:rock [2025/06/25 03:35] asadbn:un:rock [2025/06/29 02:03] (current) asad
Line 1: Line 1:
 ====== রক ====== ====== রক ======
-রক তিন ধরনের: ইগ্নিয়াস (গ্রাইয়ান্ি, ব্াস্ট), সেডিমেন্টারিমেটামর্ফিক+মাারি ভিনাস পৃথিবী ও মার্সের মতো গ্রহকে রকি প্ল্যানেট বলা হয় কারণ এরা মূলত রক দিয়ে তৈরি। সাধারণ অর্থে 'পাথর' বলতে আমরা যা বুঝি 'রক' এখানে তার চেয়ে স্পেসিফিক টেকনিকেল শব্দ। এই নিবন্ধে এটাই পরিষ্কার করা হবে। পৃথিবীতে রক বা 'শিলা' তিন ধরনের: ইগ্নিয়াস (গ্নেয়), সেডিমেন্টাি (পললিক), মেটামর্ফিক (রূপান্তরিত)। গলিত ম্যাগমা জমাট বেঁধে তৈরি হওয়া সব রক গ্নিয়াস এবং এরাই সব ধরের রকের মূল ভিতি, কারণ াকি দুই ধরনের শিলা ইগনিয়াস রকেরই রূপান্তর। ইগ্নিয়াস রক বাতাস ও পানির মতো জিনিসের প্রভাবে ধীরে ধীরে পরিবর্তিতে হয়ে হয় সেডিমেন্টারি রক। আর সেডিমেন্টারি রক মাটির নিচে অনেক চাপ ও তাপে হয় মেটামর্ফিক রক। রকের রহস্য সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে পাবলো নেরুদা'র এক কবিতায়: "এটা স্পষ্ট যে শিলা মোকাবেলা করেছে সময়, তাদের সূক্ষ্ম পদার্থে পাওয়া যায় বয়সের গন্ধ।"
  
-^ টাইপ নাম ^ উদাহরণ ^ সংকেত ^+ম্যাগ্নিফাইং গ্লাসের নিচে রক ধরলে যেসব ছোট ছোট টুকরা দেখা যায় তারা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মিনারেলের (খনিজ) ক্রিস্টাল (কেলাস)। সব রকই মিনারেলের ক্রিস্টাল দিয়ে গঠিত। নিচে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কিছু মিনারেলের ক্লাস দেখানো হয়েছে, প্রত্যেকটার কেমিকেল ফর্মুলা ও কিছু ধর্ম সহ। যেমন, সালফেট ও তার মতো সব যৌগকে সালফেটের ক্লাসে ফেলা হয়েছে। 
 + 
 +^ টাইপ নাম ^ উদাহরণ ^ কেমিকেল ফর্মুলা ^ ধর্ম ^
 | নেটিভ মৌল | কপার, গোল্ড | Cu, Au | | নেটিভ মৌল | কপার, গোল্ড | Cu, Au |
 | সালফাইড | পাইরাইট | FeS$_2$ | | সালফাইড | পাইরাইট | FeS$_2$ |
Line 10: Line 12:
 | সালফেট | বেরাইট | BaSO$_4$ | | সালফেট | বেরাইট | BaSO$_4$ |
 | ফসফেট | এপাটাইট | Ca$_5$F(PO$_4$)$_3$ | | ফসফেট | এপাটাইট | Ca$_5$F(PO$_4$)$_3$ |
-| সিলিকেট | পাইরক্সিন | MgSiO$_3$ | রী, বাস্টভল্কানিক, ফইন ক্রিস্টালওশানিক ক্রস্ট | +| সিলিকেট | পাইরক্সিন | MgSiO$_3$ | ওশনিক কাস্টের ভারী ভল্কানিক ব্যাস্ট, সূ্ষ্ম ক্রিস্টাল 
-|:::| অলিভাইন | (Fe,Mg)$_2$SiO$_4$ | ভারী, ব্যাসল্ট +|:::| অলিভাইন | (Fe,Mg)$_2$SiO$_4$ | ::: 
-|:::| কোয়ার্টজ | SiO$_2$ | ালকা, গ্রাইট, প্লুটোনিক, বড় ক্রিস্টল, কিনেনটাল ক্রস্ট | +|:::| কোয়ার্টজ | SiO$_2$ | কন্টিনেন্টাল ক্রটের লকা প্লুটোনিক ্রানাই, সথূল ক্রিস্টাল 
-|:::| ফেল্ডস্পার | (K,Na)Si$_3$O$_8$, CaAl$_2$Si$_2$O$_8$ | হালকা, গ্রানাইট |+|:::| ফেল্ডস্পার | (K,Na)Si$_3$O$_8$, CaAl$_2$Si$_2$O$_8$ | ::: |
  
-পৃথিবীর সার্ফেসের ৬০% রক ফেল্ডস্পার দিে তৈরি।+এদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিলিকেট কারণ পৃথিবীর বেশির ভাগ রকই িলিকেট দিয়ে তৈরি। চার ধরনের সিলিকেটের উদাহরণ দেয়া হয়েছে। পাইরকসিন ও অলিভাইন ভারী, এদের মাধ্যমে তৈরি হয় ব্যাসল্ট। কোয়ার্টজ ও ফেল্ড্পার তার চেয়ে হালকা, এদের মাধ্যমে তৈরি হয় গ্রানাইট। পৃথিবীর সমুদ্রের উপরের কন্টিনেন্টাল ক্রাস্ট মূলত গ্রানাইটের (৬০% ফেল্ডস্পার), আর সমু্রের নিচের ওশানিক ক্রাস্ট মূলত ব্যাসল্টের। গ্রানাইট সাধারণত প্লুটোনিক (ইন্ট্রুসিভ), মাটির নিচের ম্যাগমা ধীরে ধীরে জমে তৈরি হয়, এই কারণে এদের ক্রিস্টালের দানা স্থূল, বড় বড়। ব্যাসল্ট সাধারণত ভল্কানিক (এক্সট্রুসিভ), আগ্নেয়গিরি থেকে বের হওয়া ম্যাগমা বা লাভা মাটির উপরে দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে জমাট বেঁধে ব্যাসল্টে পরিণত হয়, এই কারণে এদের ক্রিস্টাল সূক্ষ্ম, ফাইন। তবে এসবের ব্যতিক্রমও আছে, আমরা শুধু নিয়মটা উল্লেখ করলাম, নিয়ম থাকলে নিয়মের ব্যতিক্রমও থাকবেই
  
-পৃথিবীর ওশানিক ক্রস্টের মতোই াঁদর অন্ধকার মারিা সব ব্যাসল্টের। +গ্রানাটের চেয়ে ব্যাসল্টের িমণ বেশি, কারণ ম্যাগমার সাথে ব্যাসল্টের [[viscosity|ভিস্কোসিটি]] কম, ব্যাসল্টিক ম্যাগমা বেশি দূর পরযন্ত প্রবাহিত হতে পারে। সলার সিস্টেমের অনেক রকি জায়গাই নিঃসন্দহে ব্যাসল্টের তৈরি। ৃথিবীর ওশনিক ক্াস্টর মতোই চাঁদের অন্ধকার মারিয়াগুলো ব্যাসল্টের
- +
-গ্রানাইটের চেয়ে ব্যাসল্ট বেশি, কারণ ম্যাগমার সাথে ব্যাসল্টের ভিস্কোসিটি কম, ব্যাসল্টিক ম্যাগমা বেশি দূর ো করে পারে।+
  
 সেডিমেন্টারি রক তৈরি হয় ইগ্নিয়াস রক থেকে পরিবেশের বিভিন্ন ইফেক্টে কয়েক ধাপে: সেডিমেন্টারি রক তৈরি হয় ইগ্নিয়াস রক থেকে পরিবেশের বিভিন্ন ইফেক্টে কয়েক ধাপে:
-  - মেকানিকেল ওয়েদারিং: পানি ঢুকে রক ভেঙে ফেলতে পারে। কোয়ার্টজ ভেঙে তৈরি হয় বালি, আর ফেল্ডস্পার ভেঙে মাটি।+  - মেকানিকেল ওয়েদারিং: পানি ঢুকে রক ভেঙে ফেলতে পারে। কোয়ার্টজ ভেঙে তৈরি হয় **বালি**, আর ফেল্ডস্পার ভেঙে **মাটি**
   - সর্টিং: ওয়েদারিঙের কারণে এক দলা গ্রানাইট মাটি ও বালির মিশ্রণে পরিণত হতে পারে, কিন্তু বাতাস বা পানি মাটি ও বালির দানা সমান দূরে নিতে পারবে না, কারণ তাদের সাইজ আলাদা। এই কারণে মাটি ও বালির দানা আলাদা হয়ে যাবে।   - সর্টিং: ওয়েদারিঙের কারণে এক দলা গ্রানাইট মাটি ও বালির মিশ্রণে পরিণত হতে পারে, কিন্তু বাতাস বা পানি মাটি ও বালির দানা সমান দূরে নিতে পারবে না, কারণ তাদের সাইজ আলাদা। এই কারণে মাটি ও বালির দানা আলাদা হয়ে যাবে।
-  - রকে রূপান্তর: উপরের লেয়ারের চাপের কারণে মাটি ঘন হয়ে শেইল হয়, আর বালি ঘন হয়ে স্যান্ডস্টোন।+  - রকে রূপান্তর: উপরের লেয়ারের চাপের কারণে মাটি ঘন হয়ে **শেইল** হয়, আর বালি ঘন হয়ে **স্যান্ডস্টোন**
  
-লাইমস্টন কেিল বা োলিকেল প্রসেসে হতে পারে। কেমিকেল প্রস:+কোনো গ্রহে প্রাণ থাকে একটা সেডিমেন্টারি রক অক ি পরিমাণে তৈরি হয়, তর নম লাইমস্টন, অর্থাৎ ক্যাসিয়াম কার্বনেট (CaCO$_3$)। তবে কেমিকেল প্রসেসেও এটা তৈরি হতে পারে। নিচে কেমিকেল ায়ে লাইমসটোনের কাঁচামাল কার্বনট তৈরির বিক্রিয়া দেখানো হয়েছে।
  
 $$ CaSiO_3 + 2CO_2 + H_2O \rightarrow Ca^{2+} + SiO_2 + 2HCO_3^- $$ $$ CaSiO_3 + 2CO_2 + H_2O \rightarrow Ca^{2+} + SiO_2 + 2HCO_3^- $$
Line 32: Line 32:
 $$ Ca^{2+} + 2HCO_3^- \rightarrow CaCO_3 + CO_2 +H_2O $$ $$ Ca^{2+} + 2HCO_3^- \rightarrow CaCO_3 + CO_2 +H_2O $$
  
-খানের ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে মিশে সেডিমেন্ট লাইমস্টোন ও চক বানায় +ই ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে মিশে সেডিমেন্ট হিসেবে লাইমস্টোন ও চক তৈরি করে। তবে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি লাইমস্টোন এসেছে ছোট ছোট অনেক মেরিন জীবের শেল থেকে। ক্যালসিয়াম কার্বনেটের এসব শেল জীবের মৃত্যুর পরে সমুদ্রের তলায় জমেছে এবং অনেক দিন ধরে চলা কম্প্রেশনের কারণে ধীরে ধীরে লাইমস্টোন হয়েছে। লাইমস্টোন ও চক অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ এরা কার্বন ডাই অক্সাইডের সবচেয়ে বড় ভাণ্ডার। পৃথিবীর সব তেল ও কয়লার রিজার্ভের চেয়ে ২০,০০০ গুণ বেশি সিওটু আছে লাইমস্টোন ও চকে। ভিনাসের চেয়ে আর্থে সিওটু অনেক কম এই রিজার্ভের কারণেই। এক প্লেট আরেক প্লেটের নিচে গেলে প্রেশারে কার্বনেট ভেঙে যায় এবং সিওটু আবার বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়; সেই সিওটু উদ্ভিদ গ্রহণ করে, উদ্ভিদ থেকে প্রাণী খাবার পায়, এবং জীবের মৃত্যুর পর তাদের কার্বন আবার লাইমস্টোন হিসেবে সমুদ্রের তলদেশে জমা হয়। এটাই গ্লোবাল কার্বন সাইকেল।
- +
-তবে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি লাইমস্টোন এসেছে ছোট ছোট অনেক মেরিন জীবের শেল থেকে। ক্যালসিয়াম কার্বনেটের এসব শেল জীবের মৃত্যুর পরে সমুদ্রের তলায় জমেছে এবং অনেক দিন ধরে চলা কম্প্রেশনের কারণে ধীরে ধীরে লাইমস্টোন হয়েছে। লাইমস্টোন ও চক অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ এরা কার্বন ডাই অক্সাইডের সবচেয়ে বড় ভাণ্ডার। পৃথিবীর সব তেল ও কয়লার রিজার্ভের চেয়ে ২০,০০০ গুণ বেশি সিওটু আছে লাইমস্টোন ও চকে। ভিনাসের চেয়ে আর্থে সিওটু অনেক কম এই রিজার্ভের কারণেই। এক প্লেট আরেক প্লেটের নিচে গেলে প্রেশারে কার্বনেট ভেঙে যায় এবং সিওটু আবার বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়; এটাই গ্লোবাল কার্বন সাইকেল।+
  
-মেটামর্ফিক রকের মধ্যে মার্বেলের নাম বলা যায়। মাটির নিচের লাইমস্টোন চাপ ও তাপে মার্বেলে রূপান্তরিত হয়। শেইল রূপান্তরিত হয় স্লেইটে।+মেটামর্ফিক রকের মধ্যে মার্বেলের নাম বলা যায়। মাটির নিচের লাইমস্টোন চাপ ও তাপে **মার্বেলে** রূপান্তরিত হয়। শেইল রূপান্তরিত হয় **স্লেইটে**
  
bn/un/rock.1750844136.txt.gz · Last modified: by asad

Donate Powered by PHP Valid HTML5 Valid CSS Driven by DokuWiki