This is an old revision of the document!
গ্রহের ইন্টেরিয়র
গ্রহের সার্ফেসে ইন্টারেস্টিং অনেক ভূতাত্ত্বিক স্ট্রাকচার পাওয়া যায় তার ইন্টেরিয়রের পদার্থের কারণে। পৃথিবীর ইন্টেরিয়রে গলিত ম্যাগমা থাকায় এস্থিনোস্ফিয়ারে কনভেকশন কারেন্ট তৈরি হয়, যার ফলে সার্ফেসে পাওয়া যায় বারোটার বেশি প্লেটের টেক্টোনিক এক্টিভিটি। এখানে আমরা সিম্পল ফিজিক্সের মাধ্যমে একটা গ্রহের ইন্টেরিয়র বুঝার চেষ্টা করব সৌরজগতের গ্রহ জুপিটার আর তার উপগ্রহ গ্যানিমিডের উদাহরণ ইউজ করে।
জুপিটার ও গ্যানিমিডের ঘনত্ব যথাক্রমে ১.৩ গ্রাম/সিসি (কিউবিক সেন্টিমিটার) ও ১.৯ গ্রাম/সিসি, পানির চেয়ে একটু বেশি, কারণ পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/সিসি। জুপিটারের ঘনত্ব যে পানির কাছাকাছি তা মানা যায়, কারণ তার বেশির ভাগ অংশ গ্যাস দিয়ে তৈরি। কিন্তু গ্যানিমিড বাইরে থেকে দেখলে পাথরের মনে হয়। রকি একটা অব্জেক্টের ঘনত্ব কিভাবে পানির কাছাকাছি হতে পারে? উত্তর হলো, গ্যানিমিডের ভিতরে নিশ্চয়ই অনেক পানি আছে বরফ হিসেবে, যেহেতু তাপমাত্রা সেখানে অনেক কম। কম্পিউটার মডেল বলে, গ্যানিমিডের ৬০% শিলা ও ৪০% বরফ হলে ঘনত্বের মানটা ব্যাখ্যা করা যায়। নাসা’র নভোযান গ্যালিলিও গ্যানিমিডের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় তার ট্র্যাক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মুনটার ভর জানা গিয়েছিল। আর তার ভিতরের খবর আমরা কিভাবে জানলাম তা নিচে বলছি।
