Abekta

The Encyclopédie of CASSA

User Tools

Site Tools


bn:un:keplers-laws

This is an old revision of the document!


কেপলারের ল

গ্রিকরা আকাশের তারাদেরকে ‘আস্তের’ (স্টার, স্থির) ডাকত কারণ এক তারার সাপেক্ষে আরেক তারার পজিশন পাল্টায় না, তারা সেই অর্থে আকাশে স্থির। আর গ্রহদেরকে ‘প্লানেতেস’ (ভ্রমণকারী) ডাকত কারণ তারাদের সাপেক্ষে গ্রহের অবস্থান রাত থেকে রাতে পাল্টায়। বছরের একেক দিন গ্রহ একেক পজিশনে থাকে এবং এই পরিবর্তন সাধারণত পূর্ব দিকে; এই গতির নাম প্রগ্রেড মোশন (প্রগতি)। তবে মাঝে মাঝে কিছু গ্রহ থেমে কিছুদিনের জন্য উল্টা পশ্চিম দিকে যায়, এবং তারপর আবার পূর্বদিকে আগের প্রগতি শুরু করে, এই উল্টাগতির নাম রেট্রোগ্রেড মোশন। টলেমির জিওসেন্ট্রিক মডেলে রেট্রোগ্রেড মোশন ব্যাখ্যা করার জন্য এপিসাইকেল লাগত, কিন্তু কোপার্নিকাসের হেলিওসেন্ট্রিক মডেল তা কোনো এপিসাইকেল ছাড়াই সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে। এর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে আলমাজেস্ট থেকে রেভলুশনস আর্টিকেলে। এখানে শুধু কেপলারের ল’র সাথে প্রাসঙ্গিক অংশটুকু বলব।

এই ছবিতে সূর্যের কাছের অর্বিটে নীল বিন্দুগুলো পৃথিবীর পজিশন, আর দূরের অর্বিটে লাল বিন্দু মঙ্গলের পজিশন। পৃথিবীর সূর্যের কাছে সূর্যের চারদিকে কম সময়ে একবার ঘোরে, এবং তার ফলে মঙ্গলকে বছরে দুই বার ওভারটেক করে। এই ওভারটেকিঙের সময় পৃথিবী থেকে মনে হয় আকাশের স্থির তারাদের (ডানের নীল প্যানেল) সাপেক্ষে মঙ্গলের পজিশন উল্টা দিকে পাল্টাচ্ছে। বাসে যাওয়ার সময় পাশের কোনো বাসকে ওভারটেক করলে যেমন মনে হয় পাশের বাসে বাসটা পিছন দিকে যাচ্ছে, এটা তেমনই ব্যাপার। মঙ্গলের অর্বিট নিখুঁতভাবে বর্ণনা করার জন্য কেপলার তার মেন্টর টিকো ব্রাহের অব্জার্ভেশন নিয়ে অনেক কাজ করেছিলেন।

1. তিন ল

যেকোনো প্ল্যানেটারি সিস্টেমে একটা গ্রহের অর্বিট নিচের তিনটা ল মেনে চলে।

  1. গ্রহের অর্বিট সব সময় এলিপ্টিকেল, উপবৃত্তাকার, এবং তারা সেই এলিপ্সের একটা ফোকাসে থাকে।
  2. গ্রহ ও তারা যোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায় তা সমান সময়ে সমান এরিয়া তৈরি করে।
  3. গ্রহের পিরিয়ডের স্কয়ার তার সেমি-মেজর এক্সিসের কিউবের সমানুপাতিক।

bn/un/keplers-laws.1754902844.txt.gz · Last modified: by asad

Donate Powered by PHP Valid HTML5 Valid CSS Driven by DokuWiki