bn:un:atmosphere
Differences
This shows you the differences between two versions of the page.
| Next revision | Previous revision | ||
| bn:un:atmosphere [2025/08/03 11:32] – created asad | bn:un:atmosphere [2025/08/09 05:35] (current) – [5. বায়ুমণ্ডলের জন্ম] asad | ||
|---|---|---|---|
| Line 2: | Line 2: | ||
| তারা গ্রহ উপগ্রহ সবারই বায়ুমণ্ডল থাকতে পারে। আমরা এখানে প্রধানত গ্রহের এটমস্ফিয়ার নিয়ে কথা বলব। | তারা গ্রহ উপগ্রহ সবারই বায়ুমণ্ডল থাকতে পারে। আমরা এখানে প্রধানত গ্রহের এটমস্ফিয়ার নিয়ে কথা বলব। | ||
| - | ===== এটমস্ফিয়ারিক প্রেশার ===== | + | ===== - এটমস্ফিয়ারিক প্রেশার ===== |
| এজন্য প্রথমেই এটমস্ফিয়ারিক প্রেশারের একটা সমীকরণ লাগবে যা [[hydrostatic-equilibrium|হাইড্রোস্টেটিক ইকুইলিব্রিয়াম]] ব্যবহার করে ডিরাইভ করা সম্ভব। ভূমি থেকে হাইটের ($z$) সাথে প্রেশারের ($P$) সম্পর্ক | এজন্য প্রথমেই এটমস্ফিয়ারিক প্রেশারের একটা সমীকরণ লাগবে যা [[hydrostatic-equilibrium|হাইড্রোস্টেটিক ইকুইলিব্রিয়াম]] ব্যবহার করে ডিরাইভ করা সম্ভব। ভূমি থেকে হাইটের ($z$) সাথে প্রেশারের ($P$) সম্পর্ক | ||
| Line 15: | Line 15: | ||
| $$ \frac{dP}{dz} = -\frac{P\mu_a m_a g}{kT} $$ | $$ \frac{dP}{dz} = -\frac{P\mu_a m_a g}{kT} $$ | ||
| - | যা সল্ভ করার মাধ্যমে হাইটের সাথে প্রেশারের পরিবর্তন জানা সম্ভব। সলুশন সহজে হবে $g$ এবং $T$ কনস্টেন্ট ধরে নিলে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের জন্য এই এসাম্পশন বেশি খারাপ না, কারণ মহাকর্ষত্বরণ আসলেই বেশি পাল্টায় না, আর টেম্পারেচার প্রেশারের তুলনায় অনেক ধীরে পাল্টায়। ভ্যারিয়েবল সেপারেশনের মাধ্যমে উপরের ডিফারেনশাল ইকুয়েশন সল্ভ করা যায় এভাবে: | + | যা সল্ভ করার মাধ্যমে হাইটের সাথে প্রেশারের পরিবর্তন জানা সম্ভব। সলুশন সহজে হবে $g$ এবং $T$ কনস্টেন্ট ধরে নিলে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের জন্য এই এজাম্পশন বেশি খারাপ না, কারণ মহাকর্ষত্বরণ আসলেই বেশি পাল্টায় না, আর টেম্পারেচার প্রেশারের তুলনায় অনেক ধীরে পাল্টায়। ভ্যারিয়েবল সেপারেশনের মাধ্যমে উপরের ডিফারেনশাল ইকুয়েশন সল্ভ করা যায় এভাবে: |
| $$ \int\frac{dP}{P} = -\frac{\mu_a m_ag}{kT} \int dz \Rightarrow \ln P = -\frac{\mu_a m_agz}{kT}+C $$ | $$ \int\frac{dP}{P} = -\frac{\mu_a m_ag}{kT} \int dz \Rightarrow \ln P = -\frac{\mu_a m_agz}{kT}+C $$ | ||
| Line 21: | Line 21: | ||
| $$ \Rightarrow P = P_0 e^{-\mu_a m_a gz/(kT)}$$ | $$ \Rightarrow P = P_0 e^{-\mu_a m_a gz/(kT)}$$ | ||
| - | যেখানে $P_0=e^C$ হলো সিলেভেলে ($z=0$) প্রেশার, | + | যেখানে $P_0=e^C$ হলো সিলেভেলে ($z=0$) প্রেশার, |
| + | |||
| + | হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মাউনা কিয়া পাহাড়ের উপর কেক অব্জার্ভেটরির মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আছে, ৪ কিমি হাইটের এই চূড়ার উপরে চাপ সিলেভেলে চাপের মাত্র ৬০%; আর এভারেস্টের উপরে, | ||
| + | |||
| + | ===== - বায়ুমণ্ডলের ভর ===== | ||
| + | পৃথিবীর এটমস্ফিয়ারের ভর $M$ সহজেই মাপা যায়। সিলেভেলে গোটা বায়ুমণ্ডলের মহাকর্ষ বল $F=Mg$, তাহলে প্রেশার $P_0=F/ | ||
| + | |||
| + | $$ M = \frac{P_0A}{g} = \frac{4\pi R_E^2P_0}{g} $$ | ||
| + | |||
| + | যার মান হয় আনুমানিক $5\times 10^{18}$ kg মানে পৃথিবীর মোট ভরের এক মিলিয়ন ভাগের এক ভাগ। | ||
| + | |||
| + | ===== - পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ===== | ||
| + | {{: | ||
| + | |||
| + | পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা ও চাপ উপরের দিকে এল্টিচুডের (উচ্চতা) সাথে কিভাবে পাল্টায় তা এই প্লটে দেখানো হয়েছে। চাপ দেয়া আছে মিলিবার ইউনিটে, | ||
| + | |||
| + | ট্রপোপজের পর থেকে তাপমাত্রা আবার বাড়তে থাকে কারণ এখানে, | ||
| + | |||
| + | আমাদের বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন ৭৮%, অক্সিজেন ২১%, এর পর সবচেয়ে বেশি আছে আর্গন, | ||
| + | |||
| + | ===== - অন্যান্য গ্রহের বায়ুমণ্ডল ===== | ||
| + | নিচের টেবিলে তিনটা ইনার গ্রহ এবং শনির উপগ্রহ টাইটানের বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত বিভিন্ন মৌল ও যৌগের পরিমাণ দেখানো হয়েছে। বুধ নেই, কারণ মার্কারির বলার মতো কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। সব পরিমাণ দেয়া আছে পার্টস পার মিলিয়ন (পিপিএম) ইউনিটে। পৃথিবীতে অক্সিজেন ২, | ||
| + | |||
| + | < | ||
| + | ^ অণু ^ পৃথিবী ^ শুক্র ^ মঙ্গল ^ টাইটান ^ | ||
| + | | নাইট্রোজেন (N₂) | ||
| + | | অক্সিজেন (O₂) | ||
| + | | আর্গন (Ar) | 9000 | 70000 | 16000 | 48000 | | ||
| + | | জলীয় বাষ্প (H₂O) | ||
| + | | কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) | ||
| + | | নিয়ন (Ne) | 18 | 7 | 2.5 | < | ||
| + | | ওজোন (O₃) | ||
| + | | হিলিয়াম (He) | 5 | 12 | | | | ||
| + | | মিথেন (CH₄) | ||
| + | | ক্রিপটন (Kr) | 1 | | ||
| + | | কার্বন মনোক্সাইড (CO) | ||
| + | | নাইট্রিক অক্সাইড (NO) | ||
| + | | সালফার ডাই-অক্সাইড (SO₂) | ||
| + | | হাইড্রোজেন (H₂) | ||
| + | | অ্যাসিটিলিন (C₂H₂) | ||
| + | | ইথেন (C₂H₆) | ||
| + | </ | ||
| + | |||
| + | পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি আছে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন, | ||
| + | |||
| + | আউটার চার গ্রহের বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে আমরা বেশি জানি না। গ্যালিলিও প্রোব জুপিটারের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করেছিল, | ||
| + | |||
| + | {{: | ||
| + | |||
| + | ইউরেনাস ও নেপচুনের বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৩ শতাংশ মিথেন, | ||
| + | |||
| + | জায়ান্ট গ্রহদের বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রার ভ্যারিয়েশনও জানা গেছে [[spectroscopy|স্পেক্ট্রোস্কপির]] মাধ্যমে। কিভাবে তার একটা সরল ব্যাখ্যা এইভাবে দেয়া যায়। ধরা যাক একটা গ্রহের সার্ফেস থেকে কন্টিনুয়াম রেডিয়েশন আসছে, | ||
| + | |||
| + | টাইটান একমাত্র মুন যার উল্লেখযোগ্য বায়ুমণ্ডল আছে। পৃথিবীতে পানি যেমন কঠিন তরল বায়বীয় তিন অবস্থাতেই থাকতে পারে, | ||
| + | |||
| + | {{https:// | ||
| + | |||
| + | তবে টাইটানের সার্ফেসের ভালো মানচিত্র বানানো সম্ভব হয়েছে তাকে অর্বিট করতে থাকা ক্যাসিনি স্যাটেলাইটের [[radar|রেডারের]] মাধ্যমে। ক্যাসিনির ট্রান্সমিটার টাইটানের সার্ফেসে রেডিও ওয়েভ পাঠিয়েছে, | ||
| + | |||
| + | ===== - বায়ুমণ্ডলের জন্ম ===== | ||
| + | ইনার চার গ্রহের বায়ুমণ্ডল প্রাইমারি না, সেকেন্ডারি। একটা গ্রহের জন্মের প্রক্রিয়ার ভিতর দিয়েই যদি বায়ুমণ্ডল তৈরি হয় তবে তাকে প্রাইমারি বায়ুমণ্ডল বলে, আর জন্মের পরে অন্য প্রক্রিয়ায় হলে সেকেন্ডারি। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যে প্রাইমারি না তার একটা বড় প্রমাণ হলো, প্রাইমারি হলে তার মধ্যে বিভিন্ন মৌলের প্রাচুর্য আদিম সোলার নেবুলার মতো এবং সেই হিসেবে বর্তমান সোলার সিস্টেমের সব জায়গার মতোই হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু বাস্তবে আমাদের বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন মৌলের অনুপাত সৌরজগতের গড় অবস্থা থেকে অনেক আলাদা। [[solar-system|সৌরজগতে]] এবান্ডেন্স সবচেয়ে বেশি হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের, | ||
| + | |||
| + | তবু প্রাইমারি এটমস্ফিয়ার সমর্থন করে কেউ বলতে পারেন, | ||
| + | |||
| + | তার মানে তিনটা রকি প্ল্যানেটের এটমস্ফিয়ার গঠিত হয়েছে দুইটা সেকেন্ডারি প্রক্রিয়ায়: | ||
| + | |||
| + | বায়ুমণ্ডল হতে পারে রিডিউসিং (মানে হাইড্রোজেনভিত্তিক) অথবা অক্সিডাইজিং (হাইড্রোজেনবিহীন)। রিডিউসিং বাতাসে অনেক মিথেন, | ||
| + | |||
| + | $$ p(> | ||
| + | $$ | ||
| + | |||
| + | এখানে ডিস্ট্রিবিউশনের লেজের অংশটা দেখানো হয়েছে, | ||
| + | |||
| + | পৃথিবীতে অনেক পানি থাকলেও ভিনাসে নেই বললেই চলে। হয়ত ভিনাসের জন্মই হয়েছে এমন সব প্ল্যানেটেসিমাল দিয়ে যাদের ভিতরে বেশি পানি ছিল না। অথবা এমনও হতে পারে যে শুরুতে ভিনাসের বায়ুমণ্ডলে অনেক পানি ছিল, কিন্তু সূর্যের বেশি কাছে হওয়ায় আল্ট্রাভায়োলেট আলো তার পানিকে ভেঙে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনে রূপান্তরিত করেছে, | ||
| + | |||
| + | তবে বায়ুমণ্ডল থেকে একটা অণু সৌরজগতে হারিয়ে না গিয়ে গ্রহের ভিতরেও ঢুকে যেতে পারে, | ||
bn/un/atmosphere.1754242324.txt.gz · Last modified: by asad
