প্রোটোপ্ল্যানেটারি ডিস্ক

একটা নতুন তারার জন্মের সময় তার চারদিকে ঘুরতে থাকা গ্যাসডাস্টের ডিস্ক থেকে কিভাবে গ্রহ জন্মায় তা ব্যাখ্যা করা হয় নেবুলার হাইপোথিসিস দিয়ে, যা বলে, নেবুলা বা মেঘ থেকে তারা ও গ্রহের উদ্ভব। এই হাইপোথিসিস প্রথম উল্লেখ করেছিলেন ফিলোসফার (‘যে প্রজ্ঞা ভালোবাসে’) ইমানুয়েল কান্ট, কিন্তু প্রথম বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন ম্যাথেমেটিশান (‘যে মেধা পছন্দ করে’: মেধা ও ম্যাথ কাছাকাছি রুট থেকে এসেছে) পিয়ের-সিমোঁ লাপ্লাস, ১৭৯৬ সালে। লাপ্লাসকে ধাক্কা দিয়েছিল সৌরজগতের চারটা বিস্ময়কর ফ্যাক্ট: (১) সব গ্রহের অর্বিট একই প্লেইনে, (২) সব গ্রহ সূর্যকে একই দিকে প্রদক্ষিণ করে, (৩) সব গ্রহের অর্বিট প্রায় সার্কুলার, এবং (৪) গ্রহগুলোর অর্বিট আর নিজ অক্ষে স্পিনের দিক একই। চার নাম্বারটা পুরাপুরি সত্য না, ব্যতিক্রম হিসাবে ভিনাস ও ইউরেনাস আছে। কিন্তু দেখা গেছে, এই ব্যতিক্রমও আদিম নিয়মকেই প্রমাণিত করে। ১৯৯০ থেকে মিল্কিওয়েতে পাওয়া কয়েক হাজার গ্রহ লাপ্লাসের হাইপোথিসিস নিঃসন্দেহে প্রমাণ করেছে। হাইপোথিসিসটা এই রকম।